There might be certain differences between what we see and how we take from what we have seen, merely for some distinct reason like time and space, and of course for some vague motives like intellect and imagination. If you find the first sentence slightly abstract in nature, then to clarify, let’s take a photograph, framed ; a picture of a mother and a baby inside the frame . Or, dream? Dreaming of a wonderful family coexisting with a wonderful world, peaceful, loving and caring, beautiful and tender like a baby’s smile. And think when this dream does not coincide with the reality. For, reality is different. For in reality, a boy quizzes around to know, “who’s the enemy?” For, in reality, the dream of a happy family is squeezed so abruptly, and violently, which is hard to bring even in your wildest imagination.

If ‘violence’ and ‘fight’ are parts of our reality then who to be blamed? ‘Oil’ or ‘Water’? Or countless faces of ‘good’ and ‘bad’ people of the world from this unduly mixture? While our brains debate with this issue, let’s take a journey to a rotten script, where the collision of two anti group lead by two powerful and arrogant woman, Julekha Begum, whose father donated a land for a school, and Noorjahan Khanam, whose husband helped construct the building for the school, killed a six years old boy, Rinku, who lived at the school neighborhood. Both of the ladies intended to take control of the governing body of the school and they would leave no stone unturned for this. Is this fight political? Is it for power> Is it social? Or, is it nothing but mere human nature from the day one of their existence in this world?

Let’s dream again. Let’s dream again of a peaceful world where good exists and evil doesn’t. May sound like a fairy tale! But can this tale be told to the future generation and convince that it would rest in reality? May be … a mere dream. May be… an example!

 

মুখে গণতন্ত্র, পেটে লালসা আর বুকে যদি থাকে ‘আমিই শ্রেষ্ঠ’ ভুমিকা, তবে পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে কি আর লাভ? দিন যায়, সব অন্যায় অবিচারগুলোকে অনুমতিযোগ্য কর্মকাণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বোকা চোখে ‘কি করা যায়’ ভেবে তাকিয়ে থাকি । দৃষ্টিভঙ্গি এই গোলমেলে সময়ে ভেজাল দায়বদ্ধতা হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকলে আগামী প্রজন্মের কাছে ক্ষমা চাইতে লজ্জা কি ?

মানুষ হিসেবে জন্মাবার বিশাল সম্ভাবনার পরও বাস্তব আর স্বপ্নের মাঝখানে বেকুব রাস্তাটা বড় হতে থাকে। যে শিশুটি কেবল হাঁটতে শুরু করলো – আশুন না তাকে নিরাপদে রাস্তা পেরুতে আমরা সবাই একমত হয়ে একটু সাহস দেই।

নমুনা – এদেশের খুব চেনাজানা ঘটনার অংশমাত্র । যে অসহি অসহিঞ্চুতা আমাদের আকাংখার গনতন্ত্রকে বারবার টুটি টিপে ধরে । ক্ষমতার দম্ভে জন্ম নেয়া অবস্থান – যার পিছে একদল সরল দেশপ্রেমিক মানুশের নিঃস্বার্থ সক্রিয়তার স্পন্দন চলছেই…। স্বাধীনতার এতটা বছর পর ও আমরা বারবার ব্যার্থতার কারণ খুঁজে বেড়াই আর অন্যকে দোষ দিয়ে আবর্জনার পাহাড় গড়ে তুলি । তাকে ভাংতে প্রয়োজন বুকভরা সাহসের ধাপ । যে সাহস দিয়ে নিবেদিত প্রান অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা আমাদের দিয়েছে স্বাধীন একটি দেশ ।