There has been quite a few Nirjhars over the years – an active architect and designer in Bangladesh trying to break out of stereotypical concepts, an art organizer trying to keep a network of young artists working together, an award winning photographer, an all-round writer applying his skills to the area of poems , short stories , plays, and songs, a musician, a social worker, a film maker, and very much a maverick all his life. It takes a very conscious decision to choose from his many incarnations, all equally successful. KODAK FIAP National Award for photography, Architect of the year award from India for the design of BATB Head Office Complex design at Dhaka, an internationally recognized film maker made number of documentaries, and for his first fiction AHA!, which recently rewarded him a National Award as the best director , and after receiving acclamation from various honorable film festivals like Cairo, Dubai, Munich, now it has got the National Nomination for the 81st Academy Awards, in the foreign Language Film Category. Most would rather settle on the identity of a maverick for this restless creator born in 29 November, a decade the people of Bangladesh rediscovered themselves. With so much done and so much seen he still never fails to keep the biggest happening in his life alive in his mind – the Liberation War of Bangladesh of 1971 – when Bangladesh rose from the it’s ashes  to tell the world how the spirit of a nation can not be killed ever. It is difficult to forgate the war that burnt down the very house he grew up i. It is even more difficult to stop persuading near impossible dreams and realizing them, too.

 

এনামুল করিম নির্ঝরের জন্ম রাজশাহীতে । বালক বয়সে মুক্তিযুদ্ধের সময় মাতৃভূমি ত্যাগ ও পরবর্তীকালে আগুনে ঝলসে যাওয়া নিজ বাড়ীর কংকাল টার স্মৃতি এখনো তাড়া করে ফেরে । স্কুল ও কলেজের গন্ডি পেরিয়ে অনেক স্বপ্নের অস্থিরতা , শেষ পর্যন্ত স্থাপত্যকে পেশা হিসেবে নেয়া । কিন্তু নেশা অনেক । ছবি আঁকা দিয়ে শুরু করে তারপর এক দীর্ঘ যাত্রা – অভিনয়, সংগঠন, মঞ্চ, লেখালেখি, স্যাটায়ার ম্যাগাজিন, ফটোগ্রাফি, গ্রাফিক ডিজাইন, টিভি মিডিয়া-সব কিছুর মধ্যেই আঙ্গিক খোঁজার চেস্টা – লক্ষ্য চলচ্চিত্র । এর মধ্যে ফটোগ্রাফি অবশ্য অন্যতম আত্মবিশ্বাস । কয়েকটা ভিডিও প্রামান্য চিত্র নির্মাণের পর চলচ্চিত্রে প্রথম আহা! ১৯৮৭ সালে প্রথম একক চিত্রকর্ম প্রদর্শনী দিয়ে শুরু করে ২০০৪ এর শেষে আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘দুই’ পর্যন্ত মোট ১১ টি প্রদর্শনী হয়েছে । কোডাক ফিয়াপ জাতীয় শ্রেষ্ঠ আলোকচিত্রীর পুরষ্কারসহ দেশে ও বিদেশে বিবিধ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ এবং পুরস্কার প্রাপ্তি তাকে সামনে এগুতে উদ্ভুদ্ধ করেছে । সমাজব্যাবস্থা এবং এর কাঠামোর অসঙ্গতির খুঁজে ফেরে তার ক্যামেরা । টেকনিকের স্মার্টনেস হয়তো প্রকট নয় কিন্তু সাবজেক্ট ও অবজেক্টের বিপ্রতীপতায় ফুটিয়ে তুলতে চান ভিন্ন মাত্রা । সেই তীব্র ব্যাঙ্গাত্নক লেখনী শক্তি যোগায় ।

বেশ কিছুকাল দেশে ও বিদেশে স্থপতি হিসেবে কাজ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন । ২০০৫ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত আর্কিটেক্ট অব দ্যা ইয়ার পুরস্কারটি অর্জন । বিশেষভাবে ঢাকা শহরের বেশ কিছু রেস্টুরেন্টের ডিজাইন, জেমনঃ ভূত, সন্তুর, এসপ্যারাগাস, বুখারা, ইত্যাদিতে ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা সবার নজর কাড়ে । এখনো সক্রিয় ভাবে স্থাপত্য কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন ।

শিল্প মাধ্যমের অনেকগুলো আঙ্গিকে কাজ করার কারণেই বোধ হয় ভিন্ন আঙ্গিকের মিশ্রন এবং অভিব্যাক্তির যন্ত্রনাক্লিষ্ট দিক ফুটে ওঠে তাঁর কাজে । নিছক সৌন্দর্যের তাগিদ অনুভব না করে , সমস্যাপীড়িত মানুষের প্রকটতার বুদ্ধিদীপ্ত উপস্থাপনাই অধিকতর শ্রেয় বলে মনে করেন । চারপাশের মানুষ এবং অনুভূতির বিনির্মাণে তৈরী হয় তার শিল্পকর্ম, যার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান তিনি । চলচ্চিত্রে বেশ কিছু প্রামান্য চিত্র – তিনি, কহেন, তখন, খেয়াল ইত্যাদি নির্মাণের পর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য ধাপ ‘আহা’! । যা দিয়েছে ২০০৭ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার – শ্রেষ্ঠ পরিচালক, শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক, শ্রেষ্ঠ গায়িকা ও ২০০৮ সালের অস্কারে বাংলাদেশের ছবি হিসেবে অংশগ্রহণ ।